Translate

বগুড়ার আলোর দিশারী স্কুলের (সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের বিদ্যাপীঠ) PSC-তে বাঁধভাঙা সাফল্য

ডেস্ক রিপোর্টঃ
বগুড়া পৌর এলাকার আশে পাশের যে পথ শিশুগুলো একসময় পথে ঘাটে কাগজ কুড়িয়ে দিন কাটাত। তারা আজ নিজ হাতে কলম ধরেছে জীবন যুদ্ধে জয়ী হবার জন্য। 

বগুড়া শহরের বিভিন্ন স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীরা তাদের নিজ প্রচেষ্টায় পথশিশুদের জন্য গড়ে তুলেছে “আলোর দিশারি” নামে একটি সেচ্ছাসেবি স্কুল। এটি ২০১৪ সালে যাত্রা শুরু করে।এ স্কুলটি অন্য সাধারণ কোনো স্কুলের মত নয় , এখানে নেই কোনো শ্রেনি কক্ষ নেই চেয়ার-টেবিল-বেঞ্চ, নেই কোনো ছাউনি । এই স্কুলটি সপ্তাহে চারদিন , বগুড়া এডওয়ার্ড পৌর পার্কের একটি বাগানের ভেতরে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে। এখানে প্রায় ৫০।জন পথশিশু লেখা পড়া করে থাকে।এ স্কুলটি মাত্র কয়েকজন শিক্ষার্থীর মাধ্যমে পরিচালিত হয়।তারাই এর প্রতিষ্ঠাতা , তারাই পরিচালক, তারাই আবার শিক্ষক।তাদের এই অসাধারণ উদ্দগের ফলশ্রুতিতে প্রায় অর্ধশত পথ শিশু আজ লেখাপড়ার সুযোগ পাচ্ছে। 
তাদের মধ্যে ৭ জন শিক্ষার্থী এবার পিএসসি পরীক্ষায় অংশ গ্রহন করে মুক্তি=৫.০০=A+,শান্তি=৪.০০=A,রাজিয়া=৪.৬৭=A,আকাশ=৩.৬৭=A-,রুমানা=৩.৩৩=B,অনিক=১.৬৮=D সাথী=১.৬৬=D পেয়েছে।
এটি আলোর দিশারী স্কুলের একটি বিশার অর্জন।

এ বিষয়ে তারা জানান, গর্ব করেই বলতে পারি আমরা পেরেছি এই শিশুদের  লক্ষে পৌছে দিতে। এর পিছনের ইতিহাসটা কতটা কঠিন ছিল তা বলে শেষ করা যাবে না। আবারো অভিনন্দন সবাইকে ।

শুধু লেখাপড়াই নয়, এটি একটি পরিবারের মত শিশুদের  বই, খাতা, কলম, স্কুলব্যাগসহ এক কথায় সকল শিক্ষাসামগ্রির যোগান তারাই দিয়ে থাকে। তাদের স্কুল ড্রেস, ঈদ ও বিভিন্ন উৎসবের পোশাক, শীতকালে শীতবস্র এখান থেকেই দেওয়া হয়ে থাকে।কোন শিক্ষার্থী যদি কখনো যদি অসুস্থ হয়ে যায় তখন তার চিকিৎসার দায়িত্বও আলোর দিশারি স্কুলের সেচ্ছাসেবী সদস্যরা বহন করেন। 

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্য