Translate

রাজশাহীতে বই উৎসবে মেতেছে শিশুরা

ডেস্ক রিপোর্টঃ উৎসবের মধ্যে দিয়ে নতুন পাঠ্যবই হাতে পেলো রাজশাহীর প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষার্থীরা। রোববার সকালে নগরীর বিদ্যালয়গুলো ঘটা করেই শিক্ষার্থীদের হাতে পাঠ্যবই তুলে দেয়। বছরের প্রথম দিন ঝকঝকে পাঠ্যবই হাতে পেয়ে দারুণ খুশি ক্ষুদে শিক্ষার্থীরা। 
সকালে রাজশাহী কলেজিয়েট স্কুলে বই উৎসব আয়োজন করে জেলা শিক্ষা অফিস। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন, রাজশাহী সদর আসনের সংসদ সদস্য ফজলে হোসেন বাদশা। সেখানেই আনুষ্ঠানিকভাবে বই বিতরণ উৎসব উদ্বোধন হয়। এরপর থেকেই এরপর থেকেই রাজশাহী নগর, জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে বই উৎসব শুরু হয়। 

রাজশাহী জেলা প্রশাসক কাজী আশরাফ উদ্দিনের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদ, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদফতরের পরিচালক প্রফেসর ড. আবদুল মান্নান সরকার, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা রাজশাহী অঞ্চলের উপ-পরিচালক ড. শরমিন ফেরদৌস চৌধুরী প্রমুখ। 
বই উৎসবের উদ্বোধনীতে ফজলে হোসেন বাদশা বলেন, নির্ধারিত সময়ে মধ্যে কোমলমতি শিশুদের হাতে পাঠ্যবই পৌঁছে দেয়া বর্তমান সরকারের একটি সাফল্য। আগামীতে এ ধারা অব্যাহত রাখতে সংশ্লিষ্ট সকলের সহায়তা চান তিনি। একই সঙ্গে বিনামূল্যে বিতরণের এসব পাঠ্যবই বাজারে বিক্রি হলে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার হুশিয়ারি দেন।

এদিকে, সকালে রাজশাহী শিক্ষা বোর্ড মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, শহীদ নজুমল হক উচ্চ বালিকা বিদ্যালয় ও লক্ষীপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে বই বিতরণ উৎসব উদ্বোধন করেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সদস্য ও নগর সভাপতি এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন। এদিকে রাজশাহী নজমুল হক বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে বই বিতরন উৎমবের উদ্বোধোন করে রাজশাহী মহানগর আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি শাহীন আক্তার রেণী। 
এসময় তিনি বলেন, বছরের প্রথম দিন শিক্ষার্থীরা হাতে নতুন বই পাবে আওয়ামী লীগ সরকারের আগের কোনো সরকার কল্পনাও করেনি। কিন্তু আওয়ামী লীগ সরকার তা বাস্তবায়ন করে দেখিয়েছে। দেশের সামগ্রিক উন্নয়নে বর্তমান সরকারের বিকল্প নেই বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
এসময় উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ আব্বাস আলীসহ বিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষকবৃন্দ। সংশ্লিষ্টরা জানান, এ বছর রাজশাহীতে ২ লাখ ৯০ কোটি মাধ্যমিক এবং এক কোটি ১৫ লাখ কপি প্রাথমিক স্তরের পাঠ্যবই বিতরণ করা হবে। এরই মধ্যে প্রায় সকল পাঠ্যবই হাতে পৌঁছেছে বলে জানিয়েছে বিভাগীয় শিক্ষাদফতর। যে সব পাঠ্যবই ঘাটতি রয়েছে বাফার স্টক থেকে তা পূরণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

সুত্রঃ রে/ব/০১/০১/১৮

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ