Translate

রাজশাহীতে বন্ধ হলো কোচিং সেন্টার, অভিভাবকদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া

মুহাম্মাদ শরিফুজ্জামান, শিশুবার্তা প্রতিনিধি, রাজশাহী

প্রশ্নফাঁসের মতো স্পর্শকাতর বিষয়ে জড়িত থাকার অভিযোগে গত বছরের মতো এবারেও এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার আগে বন্ধ হয়েছে কোচিং সেন্টার। শিক্ষামন্ত্রী ড. দীপু মনির আদেশে আজ (২৭ জানুয়ারি, রোববার) থেকে প্রায় এক মাস পর্যন্ত বন্ধ থাকবে দেশের আনাচেকানাচে ব্যাঙের ছাতার মতো তৈরি হওয়া কোচিং সেন্টারগুলো। সরেজমিনে পরিদর্শন করে দেখা গেছে, রাজশাহী মহানগরীর অধিকাংশ কোচিং সেন্টার বন্ধ রয়েছে। তবে দেখা গেছে, বেশ কয়েকটা কোচিং সেন্টার খোলা রয়েছে।


এ ব্যাপারে  রাজশাহী শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর মোঃ আবুল কালাম আজাদের সঙ্গে কথা হয় শিশুবার্তা টিমের। তিনি শিশুবার্তাকে বলেন, 'আদেশ অমান্য করে যদি কেউ কোচিং সেন্টার খোলা রাখে, তবে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।'


কোচিং সেন্টার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মুখে এ ব্যাপারে ভিন্ন সূর। রাজশাহী মহানগরীর একটা কোচিং সেন্টারে কর্মরত একজন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র শিশুবার্তাকে জানান, 'কোচিং সেন্টারে কখনো প্রশ্ন ফাঁস হয় না। প্রশ্ন ফাঁস মুল জায়গা থেকেই হয়ে থাকে। কোচিং সেন্টারে বড়জোর ফাঁসকৃত প্রশ্নটা বিলি করা হয়।'


প্রশ্নফাঁস রোধে কোচিং সেন্টার বন্ধ করা নিয়ে অভিভাবকদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা গেছে। রাজশাহী কলেজিয়েট স্কুলে অধ্যয়নরত এক শিক্ষার্থীর অভিভাবক শিশুবার্তাকে জানান, 'গতবছরের আগের বছর টিভি-পত্রিকায় পড়েছি, রাজধানী ঢাকার অনেক কোচিং সেন্টার তাদের শিক্ষার্থীদের মাঝে প্রশ্ন বিলি করেছে। তাই আমি মনে করি, পাবলিক পরীক্ষার আগে কোচিং সেন্টার বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত যৌক্তিক।'


অন্যদিকে পি.এন সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত এক শিক্ষার্থীর অভিভাবক শিশুবার্তাকে বলেন, 'আমার মনে হয়, কোচিং সেন্টার বন্ধ করা যৌক্তিক হয়নি। এতে করে অন্যান্য ক্লাসের শিক্ষার্থীরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। কোচিং সেন্টারের মাধ্যমে প্রশ্ন বিলি করা হয়, এমন অনেক তথ্য আমরা গণমাধ্যমের কল্যাণে জেনেছি। এ ক্ষেত্রে, পাবলিক পরীক্ষার সময় কোচিং সেন্টারগুলো মনিটরিং করা অধিক যুক্তিযুক্ত ছিল।'

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ