Translate

কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ ধর্ষকের মা ও বোন আটক

ধর্ষক সুজনের মা-বোন হাজতে ।

মো. মাহিন সরকার, শিশু বার্তা প্রতিনিধি, ঠাকুরগাঁওঃ ঠাকুরগাঁওয়ে বালিয়াডাঙ্গী উপজেলায় সুজন আলী (২০) নামে এক যুবক কর্তৃক দশম শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেেছে ৷জানাাযাাা য়য়বৃহস্পতিবার (৪ জুলাই) দুপুরে এ ঘটনা ঘটে।

উক্ত ঘটনায় ধর্ষক সুজনের মা জরিমন বেগম (৪৭) ও বোন ইয়াসমিন আক্তারকে আটক করে শুক্রবার (৫ জুলাই) দুপুরে হাজতে পাঠিয়েছে বালিয়াডাঙ্গী থানা পুলিশ। সুজনকে গ্রেফতারের জন্য চেষ্টা চলছে বলে জানা গেছে।

জানা যায়, বৃহস্পতিবার দুপুরে ওই ছাত্রী স্কুল থেকে বাড়ি ফিরছিল। এ সময় ধর্ষক সুজন জোর করে ওই মেয়েকে তার বাড়িতে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে। এ সময় মেয়েটি চিৎকার করলে তাকে মারধর করা হয়। এতে সে অজ্ঞান হয়ে যায়। অজ্ঞান অবস্থায় মেয়েটিকে মোটরসাইকেল যোগে তার বাড়িতে ফেলে আসে ওই ধর্ষক এবং সে মেয়েটির বাবা-মাকে আইনের আশ্রয় না নেওয়ার জন্য হুমকি দেয়।

এ জঘন্য কাজে সুজনকে সহায়তা করে তার পরিবারের সদস্যরা ও এক প্রতিবেশী। পরে অজ্ঞান মেয়েটির পরিবারের লোকজন তাকে উদ্ধার করে বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। এরপর মেয়েটির শারীরিক অবস্থা অবনতি হলে তাকে শুক্রবার দুপুরে ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালে রেফার্ড করেন ডাক্তার। মেয়েটি বর্তমানে সেখানে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে।

স্কুলছাত্রীর বাবা জানান, গত তিন মাস ধরে আমার মেয়েকে উত্ত্যক্ত করে আসছিল সুজন আলী। বিষয়টি তার পরিবারকে জানালে আরও ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠে সে।

মেয়েটির মা জানান, মেয়েকে ধর্ষণের পর বাড়িতে ছুড়ে ফেলে দিয়ে গেছে। আবার হুমকি দিয়ে বলেছে বিষয়টি নিয়ে যেন আইনের আশ্রয় না গ্রহণ করি। কোথায় বাস করছি আমরা। দেশে কি আইন বলতে কিছু আছে?

বালিয়াডাঙ্গী থানার ওসি মোসাব্বেরুল হক ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই আমজাদ হোসেন জানান, মেয়েটিকে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের ঘটনায় সুজন আলী, তার বাবা ইসলাম উদ্দিন, মা জরিমন বেগম, বোন ইয়াসমিন আক্তার এবং সহযোগী প্রতিবেশী ফরহাদ হোসেনকে আসামি করে মোট পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন মেয়েটির বাবা।
তিনি আরও জানান, পুলিশ ধর্ষকের মা ও বোনকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছে। এছাড়া ধর্ষক ও বাকি আসামিদের গ্রেফতার করতে পুলিশ অভিযান অব্যাহত রেখেছে। আশা করছি খুব শীঘ্রই ধর্ষক গ্রেফতার হবে।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ