Translate

প্রতিবন্ধকতা থামাতে পারেনি মাসুমাকে



ছবি এঁকে মাধ্যমে জয় করেছে প্রধানমন্ত্রীর মন
এস,এম মানজুরুল ইসলাম সাজিদ,শিশু বার্তা প্রতিনিধি, বাগেরহাটঃ

মোসাম্মৎ মাসুমা আক্তার।
  বৈটপুর মোমিন উদ্দিন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেনির ছাএী।বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশু হলেও প্রতিভাবান শিশু মাসুমা। ছবি আকেঁ খুব সুন্দর ।
সে ছবি আকার মাধ্যমে জয় করেছে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর মন।তার আকাঁ ছবি স্থান পেয়েছে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ইংরেজি নববর্ষের শুভেচ্ছা কার্ডে। প্রধানমন্ত্রী খুশী হয়ে থাকে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যান তহবিল থেকে একলক্ষ টাকা উপহার দেন। তার দুটি পা অচল ।তাকে নিয়ে তার শিক্ষকরা ভীষণ খুশি।কারন তার জন্য ই তাদের স্কুলের মুখ উজ্জ্বল হয়েছে।আগের থেকে এখন আর বেশি নজর দেয় তার প্রতি।।

চলাফেরা করে উইল চেয়ারে। চলাফেরা না করতে পারায় সারাদিন তার সঙ্গী হল ছবি আকাঁ।ছবি আকাঁর পাশাপাশি বর্নীল রং দিয়ে ছবিটিকে জীবন্ত করে তোলে। মাসুমা শুধু ছবি আকাঁয় ভালো না। এর পাশাপাশি সে
  একজন মেধাবী ছাএী। ছবি আকার পাশাপাশি গান ও গজল করে এনেছে অনেক পুরুষ্কার।

 মাসুমা শুধু বাংলাদেশ নয় ছবি আকাঁর মাধ্যমে দেশের প্রতিনিধিত্ব করবে বিশ্ব দরবারে এমনটাই আশা মাসুমার।

বৈটপুর গ্রামের বাসিন্দা গোলাম মোস্তফা  ও ফাতেমা বেগমের  তিন সন্তানের মধ্য দ্বিতীয়  সন্তান সে। তার ছোট বোন ও বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশু। মাসুমা ও তার পরিবারের  ইচ্ছা   সে এবং তার ছোট বোনের চিকিৎসার ও লেখাপড়ার ভার  যেনো মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নেন।প্রতিদিন মাসুমার মা বাবা ভ্যানে করে স্কুলে পৌছে দেয় আবার স্কুল শেষে বাড়িতে যায় ভ্যানে করে।মাসুমাকে যদি একটু  সাহায্য করা হত সে হয়তো বাংলাদেশকে তুলে ধরতে পারতো বিশ্বের কাছে।

তার মা ফাতেমা বেগম বলেন"আমার মেয়ের যদি
  চিকিৎসা করা যায় তাহলে সে ভালো হয়ে যাবে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে বিনীত আবেদন তারা যেনো মাসুমা কে চিকিৎসা করায়।

মাসুমার শ্রেনি শিক্ষক পলাশ বলেন "মাসুমা খুব ভালো ছাএী।সে দেশের ভবিষ্যত।তাকে সব ধরনের সাহা্য্য করে থাকে তার সহপাঠীরা। সে নিয়মীত ছাএী।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ