Translate

সমাজসেবী মাদার তেরেসার

নির্মল দাস মন্টু,শিশু বার্তা, জেলা প্রতিনিধি,সিলেট
মানুষ মরণশীল এই কথা সবারই জানা। কিন্তু মানুষ মরে যায় কৃতিত্ব রেখে যায় যা তাকে সারা জীবন বাচিয়ে রাখে।তেমনি একজনের কথা বলব। আলবেনিয়ার জন্মগ্রহণ করলেও তাঁর জাতিসত্তা ভারতীয়, তিনি মাদার তেরেসা বা মাদার টেরিজা নামে পরিচিত। মাদার তেরেসা ১৯১০ সালের ২৬ আগস্ট ইউস্কুপ, অটোম্যান সাম্রাজ্যের, আলবেনিয়ার স্কপিয়ে জন্মগ্রহণ করেন।
 
 তাঁর জন্মস্থানে জীবনের আঠারো বছর কাটার, তারপর চলে আসেন ভারতে। তিনি ১৯২৮ সালে খ্রিস্ট ধর্ম প্রচার অভিযানে ভারতে প্রচার শুরু করেন। পেশায় তিনি ছিলেন একজন ধর্মপ্রচারক / ক্যাথলিক সন্ন্যাসিনী। আলবেনিয়ান হলেও ভারতের নাগরিকত্ব পান। ১৯৫০ সালে ভারতের কলকাতায় দ্যা মিশনারিজ অফ চ্যারিটি নামে খ্রিস্ট ধর্ম প্রচারক সংঘ প্রতিষ্ঠা করেন।
ধীরে ধীরে মাদার তেরেসার খ্যাতি সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে। পুরস্কার ও সম্মাননাঃ ১৯৭৯ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার, ১৯৮০ সালে ভারতের বেসামরিক সম্মান ভারতরত্ন লাভ করে ও পোপ ফ্রান্সিস তাঁকে ২০১৬ সালে সন্ত হিসাবে মর্যাদা দেয়।
 
 মৃত্যুজয়ী মাদার তেরেসা রেখে গেছেন, বিশ্বের ১২৩টি রাষ্ট্রে মৃত্যুপথ যাত্রী এইডস, কুষ্ঠ ও যক্ষ্মা রোগীদের জন্য চিকিৎসাকেন্দ্র, ভোজনশালা, শিশু ও পরিবার পরামর্শ কেন্দ্র, অনাথ আশ্রম ও বিদ্যালয়সহ দ্য মিশনারিজ অফ চ্যারিটির ৬১০টি কেন্দ্র বিদ্যমান ছিল। 
 
কালে কালে তাঁর গুনগান করবে পৃথিবীর মানুষ, ইতিহাসে পৃষ্ঠা জুড়ে থাকবে নাম জীবন ভরে। কালজয়ী মাদার তেরেসা ১৯৯৭ সালের ৫ সেপ্টেম্বর পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করে চলে যান, না ফিরার দেশে।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ