Translate

সিরাজগঞ্জে এক রাতে ০২ স্কুল ছাত্রীর বাল্যবিবাহ বন্ধ করলেন এসিল্যান্ড


বিশেষ প্রতিনিধিঃ
সিরাজগঞ্জ সদরের একই রাতে ০২(দুই) স্কুল ছাত্রীকে বাল্যবিবাহ থেকে রক্ষা করেছেন সদরের সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ আনিসুর রহমান। প্রথমে রাত ৮.৩০ টায় সিরাজগঞ্জ সদরের বাগবাটি ইউনিয়নের পিপুলবাড়ীয়া গ্রামে অষ্টম শ্রেণীর ছাত্রী সোহাগী খাতুন (১৫) ও রাত ১০ টায় কালিয়া হরিপুর ইউনিয়নের চুনিয়াহাটি গ্রামে সপ্তম শ্রেনীর ছাত্রী মুক্তি খাতুন (১৩) এর বাল্যবিবাহ বন্ধ করা হয়।আদালত সূত্রে জানা যায়, শনিবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে বাল্যবিবাহ গুলো বন্ধ করা হয়।
প্রথমে ভ্রাম্যমাণ আদালত পিপুলবাড়ীয়া গ্রামে সংগীয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নিয়ে অভিযান চালান। তখন কনের বাড়ীতে কনে বাগবাটি ইউনিয়নের পিপুলবাড়ীয়া গ্রামের মোঃ আঃ হালিম এর কন্যা সোহাগী খাতুন (১৫) এর সাথে শাহজাদপুর উপজেলার রুপনাই গ্রামের মোঃ রজব আলী এর পুত্র মোঃ বেল্লাল হোসেন(২৫) এর বিয়ের আয়োজন চলছিল। কনে অপ্রাপ্তবয়স্ক ও অষ্টম শ্রেনীর ছাত্রী। পরে বাল্যবিবাহ বন্ধ করে কনের বাবার কাছ থেকে কনে প্রাপ্তবয়স্ক না হওয়া পর্যন্ত বিয়ে দিবে না বলে মুচলেকা নেয়া হয়।
এরপর ভ্রাম্যমাণ আদালত রাত ১০ টায় কালিয়া হরিপুর ইউনিয়নের চুনিয়াহাটি গ্রামে অভিযান চালান। তখন কনের বাড়ীতে কনে চুনিয়াহাটি গ্রামের মোঃ মুকুল শেখ এর কন্যা মুক্তি খাতুন(১৩) এর সাথে একই গ্রামের মোঃ শফিকুল ইসলাম এর পুত্র সাব্বির হোসেন (১৭)এর সাথে বিয়ের আয়োজন চলছিল। বর ও কনে উভয়ই অপ্রাপ্তবয়স্ক ও কনে সপ্তম শ্রেণীর ছাত্রী।
পরে বাল্যবিবাহ বন্ধ করে বর ও কনের বাবার কাছ থেকে বর ও কনে প্রাপ্তবয়স্ক না হওয়া পর্যন্ত বিয়ে দিবে না বলে মুচলেকা নেয়া হয়। বাল্যবিবাহগুলো বন্ধে সহযোগিতা করেন বাগবাটি ইউ.পি সদস্য জহুরুল ইসলাম,বনবাড়ীয়া ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা মোঃ নজরুল ইসলাম ও আনসার ব্যাটালিয়নের সদস্যবৃন্দ।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ