Translate

বৈষম্য নয় সমান চোখে দেখি



তাজওয়ান চৌধুরী,
শিশু বার্তা প্রতিনিধি, সিলেট:
আমাদের দেশে বেশিরভাগ মানুষই নারী ও পুরুষকে সমানভাবে বিবেচনা করতে পারে না। হয় নারীদের সাথে সহানুভূতিশীল আচরণ করা হয়, নাহয় তাদের অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়;এমনকি কখনও এটা উপলব্ধিও করা হয় না। অবশ্য এর ব্যতিক্রমও আছে। কিন্তু যারা এই সমস্যাটি সৃষ্টি করেছেন তাদেরকেই এর মোকাবিলা করতে হবে। এ ধরনের আচরণের পেছনের আসল কারণগুলো হচ্ছে অজ্ঞতা, এবং বেশিরভাগ ক্ষেত্রে নিরক্ষরতা,আর এদেশের বিপুল জনসংখ্যা। নিশ্চয়ই এটি সত্যি যে মেয়েরা তাদের বাবা এবং ভাইদের কাছ থেকে বেশি যত্ন অ ভালোবাসা পেয়ে থাকে। সে ধনী বা গরীব যে পরিবারেরই হোক না কেন।

কিন্তু পরিবার থেকে সঠিক শিক্ষা ও অন্যান্য সুযোগ সুবিধা পাওয়ার মতো ভাগ্য ও সব মেয়েদের হয় না। আমাদের বেশির ভাগেরই এমন ধারণা যে,প্রথমত, মেয়েরা ছেলেদের তুলনায় কম মেধাবী হয়ে থাকে। দ্বিতীয়ত, তারা পরিবারের স্থায়ী সদস্য নয়। স্বভাবতই মেয়েরা বিয়ের পর তাদের বাবা-মার বাড়ি ছেড়ে শ্বশুর বাড়ি চলে যায়, কিছু কিছু বাবা-মা তাদের মেয়েদের প্রতি আন্তরিক ভালোবাসা থাকা স্বত্তেও তাদের উন্নতির জন্য ব্যয় করাকে নিরর্থক মনে করে। এখনকার সময়ে ঝগড়া বিবাহ-বিচ্ছেদ এবং স্বামির মৃত্যুর পর অনেক বাবা-মাই মনে করে শিক্ষা একটি বিমাস্বরূপ, যা একজন তালাকপ্রাপ্ত বা বিধবা নারীর জীবিকা নির্বাহ করতে পারে।

আমাদের এটিও মনে রাখা উচিত যে,একজন মেয়ের অধিকার কখনও কখনও অপর একজন মেয়ে দ্বারাও বঞ্চিত হতে পারে। প্রথমেই আমাদের এইসকল মেয়েদের সতর্ক করতে হবে যে তারা যা করছে তার পরিণাম কী? আচরনের ক্ষেত্রে একজন মহিলা হিসেবে যেরকম সম্মান,যত্ন পাওয়া উচিত এসবের ব্যাপারে কোনো প্রত্যাশা না রেখেই পুরুষদের মুখোমুখি হওয়া প্র‍য়োজন। উদারতার ক্ষেত্রে নারী কিংবা পুরুষ কারো প্রতিই কমতি রাখা উচিত নয়।



একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্য