Translate

কবিতা: নাইমার স্মৃতি


নাইমার স্মৃতি –
মো:মাহিন সরকার, ঠাকুরগাঁও

চারিদিকে চেয়ে দেখি নাহি নাইমা
সাথে করে নিয়ে গেছে তার মা
ঘরে যবে ছিল তো আলো
আজ মোর ঘরজুরে নামিছে ছায়া কালো
নাইমা নাহি ঘরে তবু হেরি নাইমার মুখ
তারে কাছে না হেরি হারায়েছি সুখ
মোর নয়নে আজ বহে বরষা
নাইমা নাহি ঘরে নাহি ভরসা
হৃদজুরে বাজে মোর ক্রন্দর সুর
নাইমা গেছে চলি সদুর লক্ষিপুর
নাইমার বিদায়ে কাঁদে মোর মা
কহে ফিরে আয় নিকটে আজি নাইমা
অগোচরে মুছে অশ্রু মিম-ইতি
সারা দিনমান পড়ে মনে নাইমার স্মৃতি
বয়স খুব সল্প হবে পাঁছ-ছয়
তবু হাসি করিছে সব হৃদ জয়
হাসি হাসি করিত সে খেলা
নাইমার বিদায়ে আজি মোরা একেলা
ঘরজুরে হেরি মাঝে নাইমার অমলিন হাসি
তার হাসিততে মোরা খুশির জলধিতে ভাসি
তার হাসি হেরি হেসে ওঠে শশী
হোরে খুব টানে তার মায়াবী রশি
মাঝে কর্ণ্যে বাজে নাইমার ক্রন্দন বাণি
দৌরে যেয়ে করি সবে কলে নিতে টানাটানি
বুঝি রজনী বারোটা অবধি কাঁদে ওয়া ওয়া করি
নাইমাকে হাসার তরে সবে লেগে পড়ি
আজ লাগে হতাশা সুখ লাগে নাহি
নাইমার দর্শন খুব মোরা চাহি
নাইমার তরে মন ছটফট করে
বারে বারে তার স্মৃতি মনে যায় পড়ে
সান্তনা দিয়া কহে মোর এই মন
কাঁদিলে ফিরে আসিবেনা নিজজন
সময় হলে তে চলে যেতে হয়
সময় হলে কে বা পড়ে রয়!
ধরনীতে বিধির এ করূন খেলা
আপনজন নিজকে করে যায় একেলা
বিথী বুজিকে করি ফোন ফিরিতে ঘরে
নাইনাকে কোলে নিয়া আদরের তরে
নিখিলের সব শিশুদের থেকে নাইমাকে চিনি
নাইমা যে মোর বড় আদরের ভাগিনি
দিবস-রজনীতে হেরু নাইমার স্বপন
নাইমার স্বরণে জলে ভরি যায় মোর নয়ন
নাইমার বিদায়ে ঘরে নাহি আর দীপ্ত
মোর ঘরকে ছুঁয়েছে বিরাট রিক্ত
ঘরজুরে বহে উদাসীন হাওয়া
বগলে ফিরে আয় নাইমা এটা মোর চাওয়া

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্য