শিশু মৃত্যু প্রতিরোধে শিক্ষাক্রমে সাঁতারকে অন্তর্ভুক্ত করা প্রয়োজন : শিক্ষামন্ত্রী


শিশু বার্তা ডেস্ক: প্রকাশের সময় : ২৭/০৭/২০২৩, ৮:৪০ PM
শিশু মৃত্যু প্রতিরোধে শিক্ষাক্রমে সাঁতারকে অন্তর্ভুক্ত করা প্রয়োজন : শিক্ষামন্ত্রী

পানিতে ডুবে শিশু মৃত্যু প্রতিরোধে সাঁতারকে শিক্ষাক্রমে অন্তর্ভুক্ত করা প্রয়োজন বলে উল্লেখ করেছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. দীপু মনি। তিনি বলেন, পানিতে ডুবে মৃত্যুবরণকারীদের মধ্যে বেশিরভাগই তরুণ ও শিশু। তাই তাদের সচেতনতা তৈরির উদ্দেশ্যে আয়োজিত বিতর্ক প্রতিযোগিতা খুবই কার্যকর।

বুধবার (২৫ জুলাই) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি অডিটোরিয়ামে জাতিসংঘ ঘোষিত ‘বিশ্ব পানিতে ডুবে মৃত্যু প্রতিরোধ দিবস-২০২৩’ উপলক্ষ্যে আয়োজিত বিতর্ক প্রতিযোগিতার সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন শিক্ষামন্ত্রী।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ডিবেটিং সোসাইটির সার্বিক সহযোগিতায় ২১-২৫ জুলাই পর্যন্ত আয়োজিত বিতর্ক প্রতিযোগিতার আয়োজন করে সেন্টার ফর ইনজুরি প্রিভেনশন অ্যান্ড রিসার্চ বাংলাদেশ (সিআইপিআরবি)।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- ব্রিটিশ হাইকমিশন বাংলাদেশের ডেপুটি হাইকমিশনার ও উন্নয়ন পরিচালক ম্যাট ক্যানেল, ঢাকা ইউনিভার্সিটি ডিবেটিং সোসাইটির চিফ মডারেটর ড. মাহবুবা নাসরীন ও সিআইপিআরবির উপ-নির্বাহী পরিচালক ড. আমিনুর রহমান।

অনুষ্ঠানে ম্যাট ক্যানেল বলেন, বাংলাদেশে পানিতে ডুবে মৃত্যু প্রতিরোধে বিভিন্ন দাতা সংস্থার মাধ্যমে সহায়তা করে আসছে যুক্তরাজ্য। ভবিষ্যতেও এই কার্যক্রম চলমান থাকবে বলে আশা তার।

সিআইপিআরবির উপ-নির্বাহী পরিচালক ড. আমিনুর রহমান বলেন, পানিতে ডুবে বাংলাদেশে গড়ে প্রতিদিন ৪০ শিশু মারা যায়, তা প্রতিরোধে দেশীয় প্রযুক্তি আছে। এসব মৃত্যু প্রতিরোধে ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশন যে ৬টি কর্মপন্থা হাতে নিয়েছে, তার তিনটিই সুপারিশ করেছে বাংলাদেশ।

বিতর্ক প্রতিযোগিতায় স্কুল পর্যায়ে বিজয়ী হয়েছে রাজশাহী ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল, রানার আপ হয়েছে আদমজী ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল। কলেজ পর্যায়ে বিজয়ী হয়েছে সরকারি বিজ্ঞান কলেজ, রানার আপ বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সি আবদুর রউফ কলেজ। আর বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে বিজয়ী হয়েছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ও রানার আপ হয়েছে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়। সারাদেশ থেকে স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের নির্বাচিত ৯৬টি দল এই বিতর্ক প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়।

ঢাকা/ডিএমএমস